অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

[২৫ টি] অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় 

হ্যালো, জী আপনাকেই বলছি। আপনি কি এমন কেউ যে গুগলে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন কীওয়ার্ড সার্চ করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় খুজছে? আপনার হাতে যদি কিছুটা সময় থাকে তবে বলবো, এখানে কিছুক্ষন থেমে যান। আপনার যাবতীয় সকল ধ্যান দিন এই আর্টিকেলটিতে। এইটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারছি যে আপনি যদি ধৈয্য ধারণ করে এই একটি আর্টিকেল মনযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ শেষ করতে পারেন, তবে আপনার মনে থাকা বা আপনার জানতে চাওয়া বিষয় (অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়) সম্পর্কে সকল তথ্য এবং প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লহ। 

শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আপনি এক নজরে আমাদের এই বিশেষ আর্টিকেলের আউটলাইন সম্পর্কে দেখে নিন। আমরা এই আর্টিকেলে যে সকল বিষয় আপনাকে জানাবো সেগুলো হলো: 

১) অনলাইনে ইনকাম কি?

২) অনলাইনে ইনকাম করা কি আসলেই সম্ভব?

৩) Online এ ইনকাম করার সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ 

৪) অনলাইনে ইনকাম করার সহজ উপায় মোট ২৫ টি 

৫) দক্ষতা ভিত্তিক অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় 

৬) প্রতিভা ভিত্তিক অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় 

৭) ব্যবসাভিত্তিক অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়

৮) মার্কেটিং ভিত্তিক অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়

৯) Web 3.0 সংক্রান্ত অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়

১০) সবশেষে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্তব্য 

আশা করি এই ১০ টি বিষয় আপনাকে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা সংক্রান্ত সকল কিছু বুঝাতে সক্ষম হবে। তাহলে আর সময় না বাড়িয়ে শুরু করা যাক… 

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বলতে কী বোঝায়?

অনলাইনে টাকা ইনকাম বলতে এমন কাজ করে আয় করানোকে বোঝানো হয় যে কাজগুলো করতে হয় অনলাইনে বা ভার্চুয়াল ভাবে। এ সকল কাজগুলোর মধ্যে কিছু এমন কাজ রয়েছে যা করা তুলনামূলক সহজ আবার এমনও কিছুরা কাজ রয়েছে যেগুলো করতে প্রয়োজন প্রচুর পরিশ্রম,দক্ষতা ও ধৈর্য। আমাদের মধ্যে এমন এক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যারা অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় সম্পর্কে জানতে ইচ্ছুক।  তাই তাদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে অনলাইন টাকা ইনকাম ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবারের আর্টিকেলটি। এবার আর্টিকেলে আলোচনা মূল বিষয়বস্তু এমন সকল উপায় সমূহ যেগুলো অবলম্বন করার মাধ্যমে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যাবে সহজেই।  

সহজে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা কি আসলেই সম্ভব?

সত্যি কথা বলতে কোন কাজই সহজ নয়, অনলাইনে ঘরে বসে করতে হবে বিধায় যদি মনে করে থাকেন কাজটি আপনার জন্য খুব সহজ হতে যাচ্ছে তবে প্রাথমিকভাবে আপনি ভুলটি করে ফেলবেন। অফলাইনে একটি কাজ করার জন্য যেমন পরিশ্রম করতে হয় অর্ধ উপার্জনের জন্য যেমন শ্রম দিতে হয়, একইভাবে অনলাইনে যখন কোন কাজ করবেন তখন আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে নিজের দক্ষতা প্রমাণের মাধ্যমেই টাকা উপার্জন করতে হবে।

এবার আপনি যত সহজ কাজ করে থাকেন না কেন সে সহজ কাজের পিছনে ও কিছুটা দক্ষতার প্রয়োজন হবে, দিতে হবে পর্যাপ্ত সময় এবং রাখতে হবে ধৈর্য। এমন কোন পদ্ধতি বা উপায় নেই যেখানে আপনি কিছুই না করে দিনের পর দিন টাকা ইনকাম করে যেতে পারবেন। আপনি যদি সঠিক উপায়ে হালাল ভাবে টাকা উপার্জন করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। 

তবে এখানে একটি বলার মত বিষয় রয়েছে যে, সহজ নামক শব্দটিকে আমাদের প্রথমে বোঝা উচিত। একটি কাজ আপনার জন্য সহজ হলেও এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের কাছে এই কাজটি কঠিন। অনুরূপভাবে অনেকের কাছে যে কাজটি সহজ সে কাজটি আপনার জন্য কঠিন হতে পারে।

তাই প্রাথমিক দৃষ্টিতে কখনোই হলফ করে বলা যাবে না যে এই কাজটি সহজ বা এই কাজটি কঠিন। কেননা এটি নির্ভর করবে আপনার উপরে, আপনার দক্ষতা এবং মেধার উপর।তবে আমরা এবারের আর্টিকেলের মাধ্যমে তুলনামূলক সহজ এবং সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য কিছু বিশেষ উপায় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব যেগুলো করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। এবং আপনি সে কাজগুলো অনলাইনে করতে পারবেন ঘরে বসেই।   

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

আপনি যখন অনলাইনে টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তা-ভাবনা করবেন, তখন অবশ্যই এই কাজটি করার ক্ষেত্রে কি কি সুবিধা এবং কি কি অসুবিধা আপনি সম্মুখীন হতে পারেন সে বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত। তাই এই পর্যায়ে জানাবো অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে। 

সুবিধা সমূহ

প্রশ্ন যখন ব্যবসা কেন্দ্রিক তখন অফলাইনে ব্যবসা করা থেকে অনলাইনে ব্যবসা করায় তুলনামূলক অনেক কম খরচ ব্যয় হয়।পাশাপাশি মূলধনের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। তুলনামূলক কম মূলধন নিয়েই অনলাইনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

যখন বিষয়টি চাকরি কেন্দ্রিক হবে সেক্ষেত্রে, অফলাইনে অফিসে  যাওয়া আসা করে কাজ করার মাঝে অতিরিক্ত সময় ব্যয় রোধ করতে আপনি অনলাইনে ঘরে বসে নিজের সুবিধা মত কাজ করতে পারবেন।

অনলাইনে যেহেতু নির্দিষ্ট কোন কোম্পানিতে অনেকদিন ধরে কাজ করতে হয় না ( উদাহরণস্বরূপ ফ্রিল্যান্সিং ক্যাটাগরি) তাই আপনার নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে আপনি কোথায় কাজ করবেন বাকি কাজ করবেন। 

কাজ করার জন্য আপনাকে কেবল একটি ভূগোলক এরিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না, আপনি চাইলে নিজের দেশে কিংবা নিজের দেশের বাইরের দেশগুলোতেও অনায়াসে কাজ করতে পারবেন যদি আপনি অনলাইনে সেটি করে থাকেন। 

অসুবিধা সমূহ

অনলাইনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় যে অসুবিধাটি সাধারণত সকলে ফেস করে থাকে সেটি হচ্ছে প্রতিযোগিতা। সহজলভ হওয়ার কারণে এখন প্রায় সকল ধরনের ব্যবসায়ী অনলাইনে চলে এসেছে। সে সুবাদে এ সকল সেক্টরগুলোতে প্রতিযোগিতার মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই মার্কেটে টিকে থাকতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রতিযোগিদের থেকে ভালো কিছু করে করে এগিয়ে যেতে। 

অনলাইনে কাজ করার ক্ষেত্রে আরও একটি মেজর অসুবিধা হলো এখানে আপনি কাজ করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোন সেলারি পাবেন না, বা বলা যায় এখানে কাজ অনেকটা  অনিশ্চিত। আপনার আজ কাজ রয়েছে আপনি করতে পারছেন আগামীকাল যদি না থাকে তাহলে করতে পারবেন না। তবে ভালো বিষয় এই যে আপনার যদি প্রকৃত অর্থে দক্ষতা থাকে, তবে আপনাকে ওকে উত্তর দিয়ে রাখতে পারবে না। 

নিরাপত্তার ইস্যুটি অনলাইন ভিত্তিক কাজের সব সময় থাকবে। অনলাইনে আপনাকে কেবল অন্য একটি পক্ষের উপর ভরসা করে চলতে হবে, তবে অনেক অসাধু লোক রয়েছে যারা এই ভরসা ভঙ্গ করে বিভিন্নভাবে কাজ করিয়ে নিয়ে পেমেন্ট না দিয়েই পলাতক হয়ে যায়। এমতাবস্থায় আপনার অর্থের নিরাপত্তা নিঃসরণ করার কোন সুযোগ থাকে না। এ থেকে বাঁচতে অবশ্যই সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। 

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় সমূহ

জেনে নিলেন অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে বেশি কিছু তথ্য, যেখানে ছিল অনলাইনে সহজ উপায়ে কি টাকা ইনকাম করা যায় কিনা পাশাপাশি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে যে সকল সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে সেগুলোও। এই পর্যায়ে জানাবো Realtime উপায় সমূহ। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমরা তালিকা গুলো এভাবে সাজিয়েছি যে, প্রতিটি উপায়ে একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির উপরে ভিত্তি করে গড়ে তোলা হবে। এক্ষেত্রে আমরা মোট পাঁচটি ক্যাটাগরি সিলেক্ট করেছি। সেগুলো হলো: 

  • দক্ষতাভিত্তিক কাজ সমূহ
  • ট্যালেন্ট বা প্রতিভা ভিত্তিক কাজসমূহ
  • ব্যবসাভিত্তিক কাজ সমূহ
  • মার্কেটিং ভিত্তিক কাজসমূহ
  • Web 3.0 সংক্রান্ত কাজসমূহ

মূলত এই সকল ক্যাটাগরির আন্ডারে এমন অনেক কাজ রয়েছে যা অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় হিসেবে গ্রহন করা হয়ে থাকে। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়বস্তু গুলো দেখে নেয়া যাক। প্রথমেই থাকছে দক্ষতা ভিত্তিক কাজ সমূহের ব্যাপারে। 

দক্ষতাভিত্তিক কাজ

ব্লগিং করে আয়

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় হলো ব্লগিং। একমাত্র ব্লগিংয়ের মাধ্যমেই আপনি কেবল অল্প পরিশ্রম করে আজীবন সেখান থেকে রেভিনিউ জেনারেট করতে পারেন বা আয় করতে পারেন। বর্তমান সময়ে ব্লগিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৩ সালে হিসাব মোতাবেক বিশ্বে প্রায় 400 মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ব্লগিং করে। তার মধ্যে প্রায় ৭৪ মিলিয়ন মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে ব্লগিং করে। যদি বাংলাদেশের হিসেবে দেখা যায় তাহলে বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় 40 লক্ষ মানুষ ব্লগিন করে বিভিন্নভাবে টাকা ইনকাম করার সাথে যুক্ত রয়েছে। 

আমরা ইতিমধ্যে ব্লগিং সংক্রান্ত একটি টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেছে আমাদের ওয়েবসাইটে। সেখান থেকে আপনি জানতে পারবেন ব্লগিং কি, একদম শুরু থেকে কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন, এবং ঠিক কোন কোন উপায়ে ব্লগিং থেকে আয় করতে পারবেন সে সম্পর্কে। 

তবে বলে রাখা ভালো আপনি যদি দীর্ঘকালীন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে ব্লগিং এর অপর্চুনিটি আপনার জন্যই। ব্লগিং শুরু করার ক্ষেত্রে আপনাকে যে সকল বিষয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে সেগুলো হলো:

  • লেখালেখি করা বা আর্টিকেল লেখা
  • ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট
  • কীওয়ার্ড রিসার্চ
  • বেসিক এসইও ( সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন )

আপাতত এটুকুই, এগুলো সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে থাকা ব্লগিং ক্যাটাগরিতে অনুসরণ করুন। 

ইউটিউব থেকে আয়

ইউটিউবে নাম আপনি অবশ্যই সরে থাকবেন যদি আপনি ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছুটা ধারণা রাখেন তাহলেই। ইউটিউবে যারা প্রতিনিয়ত ভিডিও পাবলিস্ট করে তাদেরকে সাধারণত ইউটিউবার বলা হয়। এখন এই কাজটি লোকেরা কেন করে এত কষ্ট করে কেন ভিডিও তৈরি করে সেগুলো ইউটিউবে আপলোড করে? তার সহজ একটি উত্তর হল টাকা ইনকাম করার জন্য। হ্যাঁ ইউটিউবের মাধ্যমেও আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

২০২৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বে বর্তমানে প্রায় দুই বিলিয়নের বেশি youtube ব্যবহারকারী রয়েছে এবং শুধুমাত্র বাংলাদেশে তার সংখ্যা প্রায় ১০০ মিলিয়ন এর মত। ইউটিউবের এই জনপ্রিয়তার জন্যই মূলত youtube কে অনেকেই ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ে তুলেছে। নিজেকে তুলে ধরেছে একজন ইউটিউবার হিসেবে। বিভিন্ন উপায়ে যেমন: গুগল এডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, স্পন্সরশিপ সহ বিভিন্ন পণ্য বা সেবা বিক্রির মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা। 

ইউটিউব কে অবশ্যই ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করা যায় তবে তার জন্য প্রয়োজন হবে কঠোর পরিশ্রম। আপনাকে রাখতে হবে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের উপর যথেষ্ট জ্ঞান যেগুলোকে কেন্দ্র করে আপনি প্রতিনিয়ত ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে যাবেন এবং মানুষকে শিক্ষা দান কিংবা এন্টারটেইন করতে থাকবেন। 

ইউটিউব বিষয়ক আমাদের ওয়েবসাইটে ফুল টিউটোরিয়াল রয়েছে। যেগুলো অনুসরণ করলে আপনি একজন নতুন হিসেবে কিভাবে ইউটিউবের জার্নি শুরু করবেন সে সম্পর্কে অবগত হবেন। 

ই-বুক লিখে আয়

না এই কাজটি সকলের জন্য নয়, আপনি  যদি কোন স্পেসিফিক বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান রাখেন সে ক্ষেত্রে আপনি সেই বিষয়টির উপরে একটি ই বুক লিখে ফেলতে পারেন। ই-বুক লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনাকে প্রতিটি বিষয়বস্তু খুব গুছিয়ে উপস্থাপন করতে হবে।

 এক্ষেত্রে আপনি যদি আগে থেকে ব্লগ লিখে থাকেন কিংবা একজন রাইটার হয়ে থাকেন অথবা ভিডিও তৈরি করেন সেক্ষেত্রে এ বিষয়ে আপনার অবশ্যই ধারণা রয়েছে।  আপনি যদি এমন একটি নিস বাছাই করে ইবুক তৈরি করতে পারেন যেখানে আপনি বিভিন্ন পণ্য বা সেভার অ্যাফিলিয়েট লিংক প্রোভাইড করতে পারবেন সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ই-বুকটি যদি ফ্রিতেও বিক্রি করেন তবে আপনার লস হবে না। অন্যদিকে আপনি যদি খুব প্রিমিয়াম কিছু শেয়ার করার মাধ্যমে ইবুক তৈরি করেন তবে সেটির জন্য নির্দিষ্ট চার্জ ধার্য করে বিক্রি করতে পারেন। পেইড ই বুক বিক্রি করার জন্য আপনি নিম্নে উল্লেখিত প্ল্যাটফর্ম গুলো ব্যবহার করতে পারেন 

amazon কিন্ডল ডাইরেক্ট পাবলিশিং

Smashwords 

Rakuten Kobo 

পডকাস্ট থেকে আয় 

ব্রডকাস্ট হলো এক ধরনের অডিও শো বা সিরিজ যা মোবাইল বা কম্পিউটার ডিভাইসে ধারণ করে যে কোন সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে শোনা যায়। আপনি একজন ক্রিয়েটর হিসেবে পটকাস্ট শুরু করতে পারেন। এটি পডকাস্ট শুরু করার ক্ষেত্রে আপনার যে বিষয়গুলোতে অবগত হতে হবে তা হলো:

১) আপনার একটি নির্দিষ্ট বিষয় থাকতে হবে যে বিষয়ে আপনি বলবেন এবং শ্রোতারা সে বিষয়ে শুনতে বা জানতে ইচ্ছুক

২) ব্রডকাস্টের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন: মাইক্রোফোন, অডিও রেকর্ডিং সফটওয়্যার, স্টুডিও এবং এডিটিং সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হবে।

৩) আপনার বিষয়বস্তুভিত্তিক পটকাস্ট প্রতিটি পর্ব আকারে সাজাতে হবে। সেগুলোর উপস্থাপন এমন হবে যে উক্ত বিষয়ে আপনার শ্রোতাদের মনে অন্য কোন প্রশ্নের উত্তর বাকি না থাকে। 

ব্রডকাস্ট তৈরি করার মাধ্যমে আয় করতে চাইলে জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো (যেমন advertise, sponsorship) ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া মার্চেন্ডাইজ ও আপনার শো এর এপিসোড উপযুক্ত প্লাটফর্মে বিক্রি করতে পারেন। 

এগুলো ছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি রয়েছে পডকাস্টের মাধ্যমে আয় করার যেমন: পডকাস্টের ট্রান্সক্রিপশন তৈরি করে ব্লগে পাবলিশ, আপনার ব্রডকাস্ট জনপ্রিয় হলে এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট এর জন্য আলাদা সাবস্ক্রিপশন ফি ধার্য করতে পারবেন। 

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করে আয় 

বর্তমান সময়ে অ্যাপ ছাড়া কোন স্মার্ট ফোনকে কল্পনাও করা যায় না, মূলত স্মার্টফোনটিকে আছে এপ্স এর উপরে। আপনি যে কোন কাজ যেমন অর্থের লেনদেন, যোগাযোগ স্থাপন কিংবা অন্য সব জরুরী কাজ করে থাকেন মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে।

তবে মনে রাখতে হবে আপনি যদি টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে অ্যাপস এর ব্যবহারকারী হিসেবে নয় অ্যাপস তৈরি করে তা কাজ করতে হবে। একজন অ্যাপ ডেভেলপার হয়ে অনলাইনে প্রচুর অর্থ উপার্জন করার সুযোগ রয়েছে। 

প্রথমত আপনি যদি একজন ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানিতে চাকরি করার পাশাপাশি ফ্রীলান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ থাকছে। শুধু তাই নয় আপনি নিজে অ্যাপ তৈরি করে সেটাকে পাবলিস্ট করার মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন। 

তবে আপনি যদি খুব প্রো লেভেলের ডেভলপার না হন কিংবা কোডিং নলেজ খুব একটা না থেকে থাকে,তবেও আপনি অ্যাপ ডেভেলপ করতে পারবেন। বর্তমানে এমন অনেক প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে বিভিন্ন এলিমেন্ট ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে যে কোন প্রকার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে ফেলা সম্ভব। মূলত সেসব মাধ্যম ব্যবহার করে আপনি নিজের মতো করে অ্যাপ ডেভেলপ করে সেটাকে পাবলিস্ট করবেন।

অ্যাপ ডেভেলপ করে আয় করার বেশ কিছু উপায় রয়েছে সেগুলো হলো:

১) আপনার অ্যাপে অ্যাডভার্টাইজের মাধ্যমে আয় করুন

২) প্লে স্টোরে অ্যাপ ব্যবহার বা ক্রয় করার জন্য চার্জ ধার্য করুন

৩) জনপ্রিয়তা বেশি হলে স্পনসরশিপ গ্রহণ করুন 

৪) অ্যাপটির মার্চেন্ডাইজ বিক্রি ও subscription service চালু করুন

অনলাইন কোচিং থেকে আয়

আপনি যদি শিক্ষাগত পেশার সাথে যুক্ত হয়ে থাকেন তবে অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনে কোচিং করে আয় করার ব্যবস্থা করতে পারেন। আপনি জেনে উপকৃত হবেন যে বর্তমান সময়ে, বিশেষ করে করনাকালীন সময়ের পর থেকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের দিকে ব্যাপক ঝুঁকেছে। এখন অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা অফলাইন থেকে অনলাইনে শেখাটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়।

যেহেতু অনলাইনে শেখানোর ক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট জায়গা দিতে হবে না, এবং একসাথে অনেকজন শিক্ষার থেকে পড়াতে পারবেন তাই বর্তমান সময়ে অনলাইন কোচিং থেকে আয় করার সম্ভাবনা অনেক বেশি রয়েছে।

আপনি যদি ইতিমধ্যেই শিক্ষকতা করে থাকেন সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে পেতে আপনার বেশি একটা বেগ পোহাতে হবে না। সর্ব কিছু মার্কেটিং এর মাধ্যমেই আপনি প্রচুর শিক্ষার্থী পেয়ে যাবেন যারা আপনার কাছে অনলাইনে পড়তে ইচ্ছুক। অনলাইনে পড়ানোর প্রক্রিয়াটি আপনি ZOOM কিংবা Google Meet এর মাধ্যমে করতে পারেন। 

তাছাড়া আপনি একই কাজ করতে পাড়েন ইউটিউবে টিউটরিয়াল প্রকাশের মাধ্যমে। আবার সেগুলো রেকর্ড করে একত্রে কোর্স হিসেবেও বিক্রি করতে পারেন। তাই বলা যায় অনলাইনে পড়ানোর কাজটি বেশ লাভজনক এবং ভালো পরিমাণের আয় করতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়

ফ্রিল্যান্সিং হলে এমন একটি পেশা যেখানে একজন ব্যক্তি কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ না করে স্বাধীনভাবে কাজ করে। ফ্রিল্যান্সাররা তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে টাকা উপার্জন করে। 

 একজন ফ্রিল্যান্সার সাধারণত যে সকল সেক্টরে নিজেকে দক্ষ করে কাজ করে সেগুলো হলো: 

  • ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট
  • গ্রাফিক ডিজাইন
  • লেখালিখি
  • অনুবাদ
  • মার্কেটিং
  • ডেটা এন্ট্রি
  • সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
  • ক্লাউড কম্পিউটিং
  • ভার্চুয়াল সহকারী
  • টিউটোরিয়াল তৈরি
  • অনলাইন কোর্স তৈরি
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • ভিডিও এডিটিং

এখান থেকে বেশ কিছু বিষয় আমাদের এবারের আর্টিকেলে ইতিমধ্যে লিপিবদ্ধ রয়েছে। মূলত এখানে থাকা কাজগুলো আপনি পর্যায়ে করার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসেও করতে পারেন।যেহেতু আমরা ইতিমধ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে জানাচ্ছি তাই এখানে খোলাসা করে কোনটিকে হাইলাইট করলাম না। তবে ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে যে সকল মার্কেটপ্লেসগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী বা যে সকল মার্কেটপ্লেসে আপনাকে কাজ করতে হবে সেগুলোর তালিকা প্রদান করছি: 

Upwork (https://www.upwork.com/)

Fiverr (https://www.fiverr.com/)

Freelancer.com (https://www.freelancer.com/)

People Per Hour (https://www.peopleperhour.com/)

Guru (https://www.guru.com/)

Toptal (https://www.toptal.com/)

AngelList (https://angel.co/)

Workana (https://workana.com/)

99designs (https://99designs.com/)

টি শার্ট ডিজাইন করে আয়

ফ্যাশনের দিক থেকে একটি শার্ট কতটা জনপ্রিয় সেটা  নতুন করে বলার মত কিছু নেই। প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন ডিজাইনের টি-শার্ট মার্কেটে দেখা যাচ্ছে এবং মানুষ সেগুলোকে ক্রয় করছে, পড়ছে। প্রশ্ন হচ্ছে এত এত নতুন ডিজাইনের টি-শার্টগুলো আসছে কোথা থেকে? মূলত এমন অনেক টি-শার্ট ডিজাইনার রয়েছে যারা এ সকল টি-শার্টগুলো ডিজাইন তৈরি করে এবং কোম্পানি সে ডিজাইনের উপরে প্রোডাকশন হাউজের মাধ্যমে টি-শার্টগুলো তৈরি করে বাজারজাতকরণ করে।

আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন কিংবা গ্রাফিক ডিজাইনিং এর উপরে আগ্রহ থেকে থাকে তবে আপনি টি-শার্ট ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন উপায়ে আপনি টিশার্ট ডিজাইনের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমন: 

১) কোন কোম্পানির হয়ে রিমোট জব এর মাধ্যমে টি-শার্ট ডিজাইন করা

২) নিজের টি-শার্ট ব্যবসা শুরু করা এবং নিজেই টি-শার্টের ডিজাইন করা

৩) ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেসে একজন টি শার্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করা

নিজেকে একজন টি-শার্ট ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে আপনার যে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে হবে: 

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং দক্ষতা: টি-শার্ট ডিজাইন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। আপনাকে বিভিন্ন গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করে টি-শার্ট ডিজাইন করতে সক্ষম হতে হবে।

সৃজনশীলতা: টি-শার্ট ডিজাইন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হবে। আপনাকে আকর্ষণীয় ও মনে রাখার মতো টি-শার্ট ডিজাইন করতে হবে।

বাজার গবেষণা: টি-শার্ট ডিজাইন করার আগে আপনাকে অবশ্যই বাজার গবেষণা করতে হবে। আপনাকে বুঝতে হবে যে, মানুষের চাহিদা কী এবং কোন ধরনের টি-শার্ট বেশি বিক্রি হবে।

SAAS বানিয়ে আয় 

SAAS হলো Software as a Service-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি এমন একটি মডেল যেখানে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের কাছে একটি ওয়েব-ভিত্তিক পরিষেবা হিসেবে সরবরাহ করা হয়। SAAS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সফটওয়্যার কিনতে হয় না বা ইনস্টল করতে হয় না। তারা শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।

আপনি যদি এমন কোন সফটওয়্যার তৈরি করতে পারেন যা কোন না কোন সমস্যার সমাধান করবে তাহলে অনেক লোক রয়েছে যারা সেই সার্ভিসটিকে গ্রহণ করবে বা ক্রয় করবে। এবং এই কাজকেই SAAS বলা হয়, SAAS এর ক্ষেত্রে সাধারণত মাসিক কিংবা বাৎসরিকভাবে সাবস্ক্রিপশন ফ্রি ধার্য করা থাকে। 

SAAS এর মাধ্যমে আয় করার আরো উপায় হলো কোনো কোম্পানিতে চাকরি করা, কিংবা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজের সার্ভিস প্রদান করা। আপনি যদি ব্যক্তিগত পৌঁছায় একজন সফটওয়্যার ডেভলপার হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে এ কাজটি আপনার অবশ্যই করা উচিৎ। 

ট্যালেন্ট ভিত্তিক কাজ

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে আয় 

একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টকে মাল্টি ট্যালেন্টেড হতে হয় কেননা এটি এমন এক ব্যক্তি যারা দ্রুতগতি ভাবে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে। তারা সাধারণত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তির জন্য কাজ করে থাকে। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কাজ এর ক্ষেত্রে খুব বিস্তৃত এটি ক্লায়েন্টদের চাহিদার উপর নির্ভর করে। একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ মূলত কেমন হয়ে থাকে সে সম্পর্কে নিজে ধারণা দেওয়া হলোঃ

প্রশাসনিক কাজ: ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টরা সাধারণত ক্যালেন্ডার পরিচালনা, ইমেল এবং ফোন কল পরিচালনা, মিটিং প্রস্তুতি এবং নথিপত্র ব্যবস্থাপনা করে।

বিপণন এবং যোগাযোগ: ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টরা ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনা, ইমেল মার্কেটিং, কপিরাইটিং এবং বিপণন প্রচারাভিযান পরিচালনা করতে পারে।

অর্থনৈতিক কাজ: ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টরা আর্থিক বিবরণী সংকলন, বিল পরিশোধ, এবং কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারে।

সৃজনশীল কাজ: ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টরা গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও সম্পাদনা, এবং লেখালেখি সহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজ করতে পারে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর বেতন সাধারণত ঘন্টা ভিত্তিক হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন নির্দিষ্ট ঘন্টা অনুযায়ী কাজ করে এবং মাস শেষে বেতন পায়। দিনে সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে অনলাইন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর চাহিদা এবং এবং সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে। তাই আপনি যদি নিজেকে এই সেক্টরগুলোতে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে পারেন তবে অবশ্যই এই সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না। 

ভয়েস ওভার করে আয় 

ভয়েস ওভার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একজন ব্যক্তি তার কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে কোনো ভিডিও, অডিও বা অ্যানিমেশনের জন্য ডাবিং করেন। ভয়েস ওভারের জন্য কাজের ধরন বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন বিজ্ঞাপন, অ্যানিমেশন, ভিডিও গেম, ইনফরমেশনাল ভিডিও, এবং আরও অনেক কিছু।

ভয়েস ওভার করার জন্য একজন ব্যক্তির একটি সুন্দর এবং পরিষ্কার কণ্ঠস্বর থাকা প্রয়োজন। এছাড়াও, তিনি অভিনয় দক্ষতা এবং বাচনশিল্পে পারদর্শী হতে হবে। ভয়েস ওভার শিল্পে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, তাই একটি অনন্য কণ্ঠস্বর এবং অভিনয় শৈলী বিকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনার এই ট্যালেন্ট রয়েছে তাহলে নিম্নে উল্লেখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনিও ভয়েস ওভারের কাজ করে আয় করতে পারবেন।

১) আপনার ভয়েস রেকর্ড করুন এবং এটি একটি ভয়েস পোর্টফলি হতে সংরক্ষণ করুন, যখনই কোথাও ভয়েস ওভারের জন্য আবেদন করবেন তখন সে পোর্টফলিওটি দেখাবেন।

২) ভয়েস ওভারের কাজের জন্য অনলাইন এবং অফলাইন উভয় ভাবে নিজের মতো করে মার্কেটিং বা প্রচারণা চালাবেন। এমন অনেক ভয়েস ওভার সাইট রয়েছে, যেখানে আপনি আবেদন করতে পারেন অথবা ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস গুলোতে নিজের গিগ তৈরি করতে পারেন ভয়েস ওভার এর কর্মী হিসেবে।

দক্ষতার সাথে ভয়েস ওভারের কাজ করছে আপনাকে অবশ্যই উচ্চারণগত দিকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি নিজের কন্ঠের যত্ন নিতে হবে। 

ট্রান্সক্রিপশন করে আয়

ট্রান্সক্রিপশন হলো অডিও বা ভিডিও রেকর্ডিংকে লিখিত আকারে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া। ট্রান্সক্রিপশনের উদ্দেশ্য হলো রেকর্ডিংয়ের সঠিক এবং সম্পূর্ণ প্রতিলিপি তৈরি করা। ট্রান্সক্রিপশনের জন্য প্রায়ই টাইপিং, শ্রবণ এবং শব্দের অর্থ বুঝার দক্ষতা প্রয়োজন।

এই কাজটির মাধ্যমে আয় করার সবচেয়ে সুন্দর উপায় হল অডিও কিংবা ভিডিও রেকর্ডিং থেকে সেগুলোর টেক্সট ভার্সন জেনারেট করে ব্লগ পোস্ট করা এবং সেখান থেকে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে রেভিনিউ জেনারেট করা। তবে আপনি যদি এটি না করতে চান বা অফিশিয়াল ভাবে কাজ করতে চান নিচের ওয়েবসাইট গুলোতে কাজ করতে পারেন। 

ট্রান্সক্রিপশন করে আয় করার জন্য অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। এখানে কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে:

  • Rev: Rev হল একটি জনপ্রিয় ট্রান্সক্রিপশন কোম্পানি যা বিভিন্ন ধরণের ট্রান্সক্রিপশনের কাজ অফার করে।
  • GoTranscript: GoTranscript হল আরেকটি জনপ্রিয় ট্রান্সক্রিপশন কোম্পানি যা বিভিন্ন ধরণের ট্রান্সক্রিপশনের কাজ অফার করে।
  • TranscribeMe: TranscribeMe হল একটি ট্রান্সক্রিপশন কোম্পানি যা দ্রুত কাজ করার জন্য পরিচিত।
  • Speechpad: Speechpad হল একটি ট্রান্সক্রিপশন কোম্পানি যা লাইভ ট্রান্সক্রিপশন অফার করে।
  • Upwork: Upwork হল একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যেখানে ট্রান্সক্রিপশনের কাজ খুঁজে পাওয়া যায়।

ভাষা শিখিয়ে আয় 

আপনি যদি একজন দোভাষী হয়ে থাকেন বা বাংলার পাশাপাশি এমন কোন ভাষায় দক্ষ হয়ে থাকেন যে ভাষার চাহিদা বর্তমানে রয়েছে সেক্ষেত্রে আপনি সে ভাষাটি শিখিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বর্তমানে বাংলা এবং ইংরেজি ছাড়া অন্যান্য যে ভাষাগুলোর চাহিদা রয়েছে বা মানুষ শিখতে চায় সেগুলো হলো: 

  • চাইনিজ
  • জাপানি
  • কোরিয়ান
  • আরবী 
  • স্প্যানিশ

তুলনামূলকভাবে এই ভাষাগুলো বাংলাদেশ থেকে বেশি শেখানো হয়ে থাকে বা বাংলাদেশের মানুষ এই ভাষা গুলো বেশি শিখতে চায় কেননা বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং সে সকল দেশে গিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে এই ভাষাগুলো প্রয়োজন হয়। এমতাবস্থায় আপনি যদি এই ভাষাগুলো সম্পর্কে দক্ষতার সাথে শেখাতে পারেন তবে ভাষা শিখে ভালো আয় করতে পারবেন। 

এগুলো ছাড়াও এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যে ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি ভাষা শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হতে পারেন। এমন কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা হলো:

যদি আপনার কাছে উক্ত ভাষার জন্য শিক্ষাগতা করার জন্য সার্টিফিকেট থাকে তবে প্রতি ঘন্টায় মিনিমাম পাঁচ থেকে সাত ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন ভাষা শেখানোর মাধ্যমে। 

কপিরাইটিং করে আয় 

কপিরাইটিং হলো লেখার একটি রূপ যা পাঠকদের একটি নির্দিষ্ট পণ্য, সেবা সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং তাদের তা গ্রহনের জন্য আগ্রহী করে তোলে। কপিরাইটাররা বিভিন্ন ধরনের লেখার কাজ করে, যার মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞাপন, মার্কেটিং উপকরণ, ওয়েবসাইট কন্টেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট।

কপিরাইটারদের লক্ষ্য হলো পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করা, তাদের আগ্রহী করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য বা সেবা কেনার জন্য উৎসাহিত করা। তারা তাদের লেখায় শক্তিশালী ভাষা, প্রভাবশালী যুক্তি এবং চমকপ্রদ চিত্র ব্যবহার করে এই লক্ষ্য অর্জন করে।

একজন কপিরাইটার হতে গেলে লেখার উপরে বেশ দক্ষ হতে হয়, একজন কপিরাইটের হিসেবে ফ্রিল্যান্সার সার্ভিস দিতে পারেন কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে। অথবা কোন এজেন্সিতে কপি রাইটার হিসেবে যুক্ত হয়ে সে এজেন্সির হয়ে কাজ করতে পারেন।

কপিরাইটিং এর কাজ করার জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না অনলাইনে ঘরে বসেই কাজগুলো করতে পারবেন। 

বাংলাদেশে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় লক্ষাধিক কপিরাইটার ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তাদের বেতনের দিক  পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তারা প্রায় ২০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষ টাকা অতি বেতন নিয়ে থাকে প্রতি মাসে। একদম নবীন কপিরাইটার এর বেশ বেতন সেগমেন্ট হয় ২০ হাজার টাকা আশেপাশে, যদি সে কোন কোম্পানিতে যুক্ত হয়ে কাজ করে। তাছাড়া যদি কেউ ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে সেক্ষেত্রে প্রতি ঘন্টা অনুযায়ী চার্জ ধার্য করে থাকে। 

অনলাইনে প্রুফ রিডিং করে আয় 

আপনি যদি ব্যাকরণ কত জ্ঞান ভালো থাকে তবে প্রুফ রিডার হিসেবে কাজ করতে পারেন। প্রুফ রিডিং কি? প্রুফ রিডিং হলো লেখা বা প্রিন্ট করা কন্টেন্টের একটি সতর্ক পর্যালোচনা যা ত্রুটি, বানান ভুল, বাক্য গঠনগত ভুল, বা অনুপযুক্ত শব্দচয়ন সনাক্ত করতে এবং সংশোধন করতে ব্যবহৃত হয়। কোনো লেখা মুদ্রিত কাজ ছাপানোর আগে এটা করা হয়, তবে এটি অনলাইন মাধ্যমগুলিতে প্রকাশিত কন্টেন্টের জন্যও করা যেতে পারে, কেননা এটা পরবর্তীতে সংশোধন করা যায়। 

প্রুফ রিডিং করে আয় করার জন্য, আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিত দক্ষতা থাকা দরকার:

  • শক্তিশালী ভাষা দক্ষতা, বিশেষ করে গ্রামার এবং ব্যাকরণ
  • নির্ভুলতার প্রতি গভীর মনোযোগ
  • বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা
  • স্ব-প্রচারের দক্ষতা

অনলাইনে প্রুফ রিডিং কাজ খুঁজে পেতে, আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স ওয়েবসাইট যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভার, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও, আপনি বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা, ব্লগ, ওয়েবসাইট, ইত্যাদিতে প্রুফ রিডার হিসেবে কাজের সুযোগ খুঁজে দেখতে পারেন। 

ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ

ডোমেইন ফ্লিকিং করে আয় 

ডোমেইন ফ্লিকিং হলো একটি অনলাইন ব্যবসার একটি কৌশল যাতে একজন ব্যক্তি বা ব্যবসা একটি ডোমেইন নাম কিনে রাখে যা অন্য কারো জন্য মূল্যবান বা প্রয়োজনীয় হতে পারে। তারপরে সেই ডোমেইনটি ব্যক্তি বা ব্যবসাকে বিক্রি করে। ডোমেইন ফ্লিকিং একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে এটি ঝুঁকিপূর্ণও।

মূলত ডোমেইন ফ্লিকিংয়ের কয়েকটি কৌশল রয়েছে। একটি কৌশল হলো: জনপ্রিয় শব্দ বা শব্দের সংমিশ্রণ সহ একটি ডোমেইন নাম কেনা। এই ধরনের ডোমেইন গুলো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহার করা । অন্য একটি কৌশল হল একটি ডোমেইন নাম কেনা যা একটি জনপ্রিয় কোম্পানির নাম বা ব্র্যান্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এই ধরনের ডোমেইন নামগুলি প্রায়শই কোম্পানির জন্য মূল্যবান। 

ডোমেইন ফ্লিকিংয়ের কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে:

সুবিধা:

  • বেশ লাভজনক 
  • কম বিনিয়োগ প্রয়োজন
  • পার্ট টাইম কাজ হিসেবে নিতে পারেন
  • ভালো বিনিয়োগ মাধ্যম

অসুবিধা:

  • ঝুঁকিপূর্ণ
  • সময়সাপেক্ষ হতে পারে
  • প্রতিযোগিতাপূর্ণ

কিছু মজাদার তথ্য দেই – এখন অব্দি সর্বাধিক দামে বিক্রিত ডোমেটি হলো Business.com যার দাম ছিল প্রায় ৩৪৫ মিলিয়ন ডলার। আপনি যদি ডোমেইন ফ্লিকিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে চান আমাদের ওয়েবসাইটে ডোমেন ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত ক্যাটাগরি থেকে ডোমিন ফ্লিকিং ব্যবসা সম্পর্কে সব জানতে পারবেন।  

ওয়েবসাইট ফ্লিকিং করে আয় 

ডোমেইন ফ্লিকিং এর মতই ওয়েবসাইটও ফ্লিকিং করা যায়। এর জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। কেননা আপনার কাছ থেকে একটা ওয়েবসাইট লোকেরা তখনই কি মেয়ে যখন সে ওয়েবসাইট কোন ভ্যালু প্রোভাইড করবে। 

 এক্ষেত্রে আপনি দুইভাবে এ কাজটি করতে পারেন। প্রথমটি হচ্ছে: একদম নতুন করে ওয়েবসাইট গড়ে তোলা এবং সেটাকে জনপ্রিয় করার জন্য কাজ করে যেতে হবে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে:  আপনাকে এখানে মধ্যস্থ ব্যবসায়ের মতো অবদান রাখতে হবে যেমন বিভিন্ন ওয়েবসাইট ক্রয় বিক্রয় মার্কেটপ্লেসগুলোতে খোঁজ রেখে কম দামে ওয়েবসাইট কিনে সেটাকে কিছুটা মডিফাই করে প্রফিটেবল ভাবেই উচ্চ দামে বিক্রি করতে হবে। 

এই দুইটি প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রথম প্রক্রিয়াটি সব সময় সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় তবে দ্বিতীয়টি সব ক্ষেত্রে হয় না। আবার প্রথম প্রক্রিয়াটি সময় সাপেক্ষ এবং দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটি দ্রুতগামী।  তবে আপনি যদি দীর্ঘকালীন সময় চিন্তা করে এই সেক্টরের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে চান তবে প্রথম প্রক্রিয়াটি সর্বোত্তম। 

মূলত ওয়েবসাইট ক্রয় বিক্রয় করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এর মধ্যে কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হল:

  • Flippa
  • Empire Flippers
  • FE International
  • Website Broker
  • Sedo
  • GoDaddy Marketplace
  • Afternic
  • Namecheap

ড্রপশিপিং করে আয় 

অনলাইনে যদি ব্যবসা সংক্রান্ত কাছের মাধ্যমে আয় করতে চান তবে ড্রপ শিপিং হল খুব ভালো একটি উপায় টাকা ইনকাম করার। একদিকে আপনার ব্যবসা করার ইচ্ছা পূরণ হবে অন্যদিকে ব্যবসা সংক্রান্ত যে ঝামেলা গুলো রয়েছে সেগুলো আপনার নিজের করতে হচ্ছে না। বরং আপনার হয়ে করে দেবে অন্য একটি প্রোভাইডার। আচ্ছা একটু খুলে বলছি ব্যাপারট…

ড্রপশিপিং হলো একটি ব্যবসায়িক মডেল যেখানে বিক্রেতা তার নিজস্ব স্টক না রেখেই গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি করে। যখন একজন গ্রাহক একটি ড্রপশিপারের কাছ থেকে একটি পণ্য অর্ডার করে, তখন ড্রপশিপার সরবরাহকারীর কাছে পণ্যটি অর্ডার করে এবং সরবরাহকারী সরাসরি গ্রাহকের কাছে পণ্যটি প্রেরণ করে। ড্রপশিপারকে শুধুমাত্র অর্ডারের জন্য একটি ফি প্রদান করতে হয়।

তারমানে এখানে ব্যবসা করতে আপনাকে পণ্যটি ছুঁয়েও দেখতে হবে না অথচ সেই পণ্য বিক্রি করে টাকা কামাবেন। কাস্টমার যখন পণ্য অর্ডার করবে তখন আপনি ড্রপশপারের কাছে সেই ক্রেতার সকল তথ্য দিয়ে দিলে তারা পণ্য ডেলিভারি পাঠিয়ে দিবে। বাংলাদেশ থেকে ড্রপ শপিং করার জন্য নিমের তিনটি প্ল্যাটফর্ম আপনাকে বেশ ভালো সুবিধার প্রদান করবে: 

  • Checkbox 
  • BD Shop 
  • Self 

এসবের প্লাটফর্মের মাধ্যমে কিভাবে ড্রপশিপিং করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে থাকা ড্রপশিপিং থেকে আয় করার উপায় সংক্রান্ত আর্টিকেলটি দেখতে পারেন

ট্রেডিং করে আয় 

ট্রেডিং বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে ট্রেডাররা পণ্য বা সম্পদ কেনে এবং বিক্রি করে লাভ করে। ট্রেডিং করতে পারে এমন পণ্য বা সম্পদের মধ্যে রয়েছে স্টক, ক্রিপ্টোকারেন্সি, কাঁচামাল, ফরেক্স ইত্যাদি।

Treding করার জন্য, ট্রেডারদের একটি ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হয়। এই অ্যাকাউন্টটি একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হয়, যা ট্রেডারদের বাজারে প্রবেশ এবং প্রস্থান করতে দেয়। ট্রেডিংয়ের বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • ডে ট্রেডিং: ডে ট্রেডাররা একই দিনের মধ্যে কেনা এবং বিক্রি করে লাভ করে।
  • পজিশন ট্রেডিং: পজিশন ট্রেডাররা দীর্ঘ সময়ের জন্য পণ্য বা সম্পদ কিনতে এবং বিক্রি করতে পারে।
  • সোয়িং ট্রেডিং: সোয়িং ট্রেডাররা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের জন্য পণ্য বা সম্পদ কিনতে এবং বিক্রি করতে পারে।
  • স্ক্যাল্পিং: স্ক্যাল্পাররা বাজারে ছোট-ছোট লাভের জন্য দ্রুত লেনদেন করে।

মূলত ট্রেডিং খুব জটিল একটি ব্যবসায় সংক্রান্ত কাজ যা কয়েক শব্দের ব্যক্ত করার অসম্ভব। আমরা শীঘ্রই ট্রেডিং সংক্রান্ত একটি টিউটোরিয়াল আমাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করব তার জন্য অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে রাখবেন। এবার ট্রেডিং করার জন্য কিছু জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে জানাচ্ছি: 

  • MetaTrader 4: MetaTrader 4 হল একটি জনপ্রিয় ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম যা স্টক, ফরেক্স, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য সম্পদ ট্রেড করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি একটি শক্তিশালী ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম যা বিস্তৃত বৈশিষ্ট্য এবং ফাংশন অফার করে।
  • MetaTrader 5: MetaTrader 5 হল MetaTrader 4 এর আপগ্রেড সংস্করণ যা আরও বৈশিষ্ট্য এবং ফাংশন অফার করে। এটি একটি ভাল পছন্দ যারা একটি শক্তিশালী এবং বহুমুখী ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম খুঁজছেন।
  • eToro: eToro হল একটি অনলাইন ব্রোকারেজ প্ল্যাটফর্ম যা স্টক, ফরেক্স, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য সম্পদ ট্রেড করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি একটি সহজ-to-use প্ল্যাটফর্ম যা শিক্ষামূলক সংস্থান এবং সামাজিক ট্রেডিং বৈশিষ্ট্যগুলি অফার করে।
  • TradingView: TradingView হল একটি টেকনিকাল বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম যা স্টক, ফরেক্স, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য সম্পদ ট্রেড করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি একটি শক্তিশালী ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম যা বিস্তৃত চার্টিং সরঞ্জাম এবং উপকরণ অফার করে।

মার্কেটিং সংক্রান্ত কাজ

chat bot মার্কেটিং করে আয় 

চ্যাটবট মার্কেটিং হলো এমন একটি কৌশল যা চ্যাটবট ব্যবহার করে গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করতে এবং তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যবহৃত করা হয়। চ্যাটবট গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে, তাদের সমস্যা সমাধান করতে এবং তাদের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সাহায্য করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

চ্যাটবট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। একটি উপায় হল চ্যাটবট ব্যবহার করে বিক্রয় বৃদ্ধি করা। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানি একটি চ্যাটবট ব্যবহার করতে পারে গ্রাহকদের নতুন পণ্য বা সেবা সম্পর্কে সচেতন করতে বা তাদের পণ্য বা সেবা কেনার জন্য রাজি করতে।

আরেকটি উপায় হলো চ্যাটবট ব্যবহার করে গ্রাহক সেবা উন্নত করা। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানি একটি চ্যাটবট ব্যবহার করতে পারে গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে, তাদের সমস্যা সমাধান করতে এবং তাদের পণ্য সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করতে।

আপনার যদি মার্কেটিং এর জ্ঞান থাকে তাহলে আপনি নিজেই চ্যাট বট বানিয়ে বিভিন্ন ব্যবসা বা কোম্পানির কাছে বিক্রি করতে পারেন। যদি সেটা সম্ভব না হয় তাহলে চ্যাটবোর্ড কনসাল্টিং পরিষেবা ও দিতে পারেন অর্থাৎ কিভাবে তারা তাদের ব্যবসাট ব্যবহার করে নিজেদের মার্কেটিং কার্যক্রম করবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারেন। পাশাপাশি আপনি চ্যাট ব্যবহার করে অ্যাফিলিইয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় 

যদি কেবল বাংলাদেশের প্রেক্ষিতেই বলতে চাই তাহলে ফেসবুক হল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। সে সুবাদে মার্কেটিং কার্যক্রমের জন্য ফেসবুকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রথমত নিজের ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেলের প্রচার প্রচারের জন্য facebook ভালো মাধ্যম। তাছাড়া বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম প্রমোট করার জন্য ফেসবুককে ব্যবহার করা যায়।

এসব ছাড়াও ফেসবুকের রয়েছে নিজস্ব মার্কেটপ্লেস যেখানে নিজের পণ্য বিক্রি করেও আয় করার সম্ভাবনাকে  বাড়ানো যায়। তাছাড়া বিভিন্ন ক্রয়-বিক্রয় গ্রুপগুলোতে যুক্ত হয়ে সেখানে নিজের পণ্যের প্রচারণা করে সরাসরি গ্রাহক পেতে পারেন।

পণ্য সংক্রান্ত ব্যাপার যদি সাইডে রাখা হয় তাহলেও থাকছে ফেসবুক থেকে আয় করার অন্যান্য উপায়। যেমন: ফেসবুক পেজ তৈরি করে সেখানে ভিডিও আপলোড করে মনিটাইজেশন এর মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন।  আমরা ইতিমধ্যেই ফেসবুক থেকে আয় করার ৭টি উপায় সম্পর্কে আর্টিকেল পাবলিশড করেছি যেখানে আপনি ফেসবুক থেকে আয় করা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

শুধু কি তাই? আপনি ফেসবুকের Ads স্পেশালিস্ট হয়েও বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করতে পারেন অথবা ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে নিজের গিগ তৈরি করে ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারেন। 

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়

ফেসবুকের পর যদি কোন সোশ্যাল মিডিয়া থাকে যাতে জনপ্রিয় তবে তার নাম হলো ইনস্টাগ্রাম। বর্তমানে পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যায় মার্কেটিং এবং ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত কাজের জন্য ফেসবুকে যতই না লাভবান  হওয়া যাচ্ছে তার থেকে অনেক গুণ বেশি সম্ভাবনা রয়েছে ইনস্টাগ্রাম এর মাধ্যমে সকল কাজগুলো করলে। 

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার রয়েছে অনেক অনেক উপায়। এক নজরে যদি সে উপায় গুলো সম্পর্কে জানাতে চাই তাহলে সেগুলো হলো: 

  • স্পনশরশীপ গ্রহণ করে স্পনশর পোস্টের মাধ্যমে Instagram থেকে আয়
  • নিজের তোলা ছবি বিক্রি করে Instagram থেকে আয়
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে Instagram থেকে আয়
  • অন্যদের অ্যাকাউন্ট প্রোমোট করার মাধ্যমে Instagram থেকে আয়
  • নিজেই প্রোডাক্ট বিক্রির মাধ্যমে Instagram থেকে আয়
  • IGTV ভিডিও মনিটাইজেশনের মাধ্যমে Instagram থেকে আয়
  • Live ভিডিও এর মাধ্যমে Instagram থেকে আয়

দারুন সকল উপায়ে তাই না? আপনিও যদি এই সকল উপায়  গুলোর মাধ্যমে আয় করতে চান এবং এই সংক্রান্ত বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার উপায় সংক্রান্ত আমাদের আর্টিকেলটি দেখে নিন উপকৃত হবেন। 

প্রিন্টারেস্ট থেকে আয় 

প্রিন্টারেস্ট 2010 সালে চালু হয়েছিল এবং এটি দ্রুত একটি জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট হয়ে ওঠে। 2023 সালের হিসাবে, প্রিন্টারেস্টে 400 মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। প্রিন্টারেস্ট এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে আপনি সরাসরি নিজের অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে পারবেন এক্ষেত্রে কোন রেস্ট্রিকশন নেই। যেহেতু এখানে প্রচুর পরিমাণ ট্রাফিক রয়েছে সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করে কেউ কোন পণ্য বা সে বা গ্রহণ করলে সেখান থেকে কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

 তবে সবচেয়ে বড় সত্যি কথা হলো এই সম্ভাবনা খুব কম হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি একজন ব্লগার কিংবা ইউটিউব হয়ে থাকেন তবে আপনার ব্লগ এবং ইউটিউব এর জন্য ট্রাফিক জেনারেট করতে পারবেন প্রিন্টার থেকে। আল্টিমেটলি আপনার আয় হবে এডসেন্সের মাধ্যমে তবে তার জন্য মূল উৎস যা “ ট্রাফিক” সেটা আপনি ইন্টারেস্ট থেকে অর্জন করতে পারেন। 

এসব ছাড়াও আপনার যদি একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থাকে, সেক্ষেত্রে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ভিজিটর আনার জন্য প্রিন্টারেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এ কাজগুলো করা খুব সহজ প্রথমে আপনাকে ছবি তৈরি করতে হবে এবং সে ছবির ডেসক্রিপশনে এসে সকল লিংক গুলো যুক্ত করে দিবেন। 

Web 3.0 সংক্রান্ত কাজ

অনেকে রয়েছে যারা এই শব্দটি প্রথমবারের মতো শুনছে। তাদের জন্য প্রথমে ওয়েব৩.০ এর সংক্রান্ত কিছু তথ্য দিয়ে রাখছি। Web 3.0 হল ইন্টারনেটের তৃতীয় প্রজন্ম, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লগচেইন প্রযুক্তি এবং টোকেন-ভিত্তিক অর্থনীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। এটিকে এমন একটি ইন্টারনেট হিসাবে বিবেচনা করা হয় যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও ব্যক্তিগতকৃত, সহায়ক এবং নিয়ন্ত্রিত হবে।

Web 3.0-এর কিছু বৈশিষ্ট্য হল:

১) Decentralization: Web 3.0-এর বেশিরভাগ অংশ ব্লগচেইন প্রযুক্তি দ্বারা চালিত হবে, যা তথ্যকে কেন্দ্রীভূত সার্ভারের পরিবর্তে বিতরণ করা হবে। এর অর্থ হল কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরো ওয়েবকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

২) Personalization: Web 3.0-এর ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয়তা এবং পছন্দগুলি শিখতে এবং তাদের জন্য আরও ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতা তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করবে।

৩) Interoperability: Web 3.0-এর বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি একসাথে আরও ভালভাবে সংযোগ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ব্লগচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। এর অর্থ হল ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম জুড়ে তথ্য এবং পরিষেবাগুলি মসৃণভাবে ভাগ করতে সক্ষম হবে।

আচ্ছা, এবার জেনে নেওয়া যাক Web 3.0 ব্যবহার করে কিভাবে আয় করা সম্ভব!! 

ক্রিপ্টোকারেন্সি এর মাধ্যমে আয় 

ক্রিপ্টোকারেন্সি হল ডিজিটাল কারেন্সি যা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি বা নিয়ন্ত্রিত হয় না। এগুলি ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে সুরক্ষিত হয়, যা এগুলিকে জাল বা অনুকরণ করা কঠিন। ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল বিটকয়েন, যা ২০০৯ সালে তৈরি হয়েছিল। বিটকয়েন ছাড়াও, অন্যান্য জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলির মধ্যে রয়েছে ইথার, টেথার এবং বাইনকয়েন।

Cryptocurrency থেকে আয় করার সবচেয়ে সাধারণ যে উপায়ে রয়েছে তা হলো বিনিয়োগ করা। এতে বিনিয়োগ করার মাত্র কয়েক মাস কিংবা বছরের মধ্যেই ক্রিপ্টো কারেন্ট সিট মূল্য কয়েকশো গুণ বেড়ে যেতে পারে। আবার বিপরীত হতে পারে, এটি মূলত নির্ভর করে মার্কেটপ্লেস এর উপরে।  অনলাইনে ইনকাম করার যতগুলো উপায় রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপায় হলো এটি। 

তাছাড়া শেয়ার বাজারের মত আপনি Cryptocurrencyতেও ট্রেড করতে পারবেন। তবে এর জন্য যথাযথ ধারণা থাকতে হবে সকল বিষয়ে। তাছাড়া এমন কিছু প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে আপনি Cryptocurrency হোল্ড করে রেখেও সেগুলোর উপর ইন্টারেস্ট পাবেন।   

Cryptocurrency থেকে আয় করার আরেকটি বিশেষ উপায় হল Cryptocurrency মাইনিং করা। তবে উক্ত কাজটির জন্য প্রোগ্রামিং এবং ব্লকচেইন সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা আবশ্যক। তাছাড়া উক্ত কাজটি সাধারণ কোন কম্পিউটার দিয়ে করা যায় না প্রয়োজন সুপার কম্পিউটার। 

NFT থেকে আয় করার উপায় 

NFT এর পূর্ণরূপ হল Non-Fungible Token। এটি হল একটি ডিজিটাল সম্পদ যা ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার মালিকানা এবং মূল্যকে নিশ্চিত করে। NFT-এর প্রতিটি টোকেন অনন্য এবং অদ্বিতীয়, এবং এটিকে অন্য কোনও টোকেন দিয়ে বিনিময় করা যায় না।

এনএফটি এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এটি ডিজিটাল আর্ট, সংগীত, ভিডিও গেমস, স্পোর্টস সংগ্রহ, এবং আরও অনেক কিছুর মালিকানা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। NFT-এর মাধ্যমে, ডিজিটাল সম্পদের মালিকরা তাদের সম্পদের মূল্য এবং অনন্যতাকে প্রমাণ করতে পারেন।

NFT থেকে আয় করার যে জনপ্রিয় কয়েকটি মাধ্যম রয়েছে সেগুলো হলঃ

NFT তৈরি এবং বিক্রি করুন: আপনি যদি সৃজনশীল হন, তবে আপনি আপনার নিজের ডিজিটাল আর্ট, সংগীত, ভিডিও, বা অন্য কোনও ডিজিটাল সম্পদ তৈরি করতে পারেন এবং এটিকে NFT হিসাবে বিক্রি করতে পারেন। NFT-এর চাহিদা ক্রমবর্ধমান, তাই আপনার সম্পদগুলির জন্য ভাল মূল্য পেতে পারেন।

মালিকানা বিক্রি করুন: আপনি যদি ইতিমধ্যেই NFT-এর মালিক হন, তবে আপনি এটিকে অন্য কারও কাছে বিক্রি করতে পারেন। NFT-এর দাম সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আপনি লাভের জন্য এটি বিক্রি করতে পারেন।

NFT-এর জন্য মধ্যস্থতাকারী হন: আপনি NFT-এর ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করতে পারেন। এটি আপনাকে প্রতি লেনদেনের জন্য কমিশন উপার্জন করতে দেয়।

NFT-এর জন্য বাজার তৈরি করুন: আপনি আপনার নিজের NFT বাজার তৈরি করতে পারেন। এটি আপনাকে NFT-এর ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের জন্য একটি কেন্দ্রীভূত স্থান সরবরাহ করবে।

সাধারণত যেকোনো ছবি আর্ট মিউজিক ভিডিও বা অন্যান্য ডিজিটাল অ্যাসেট গুলোকে ব্লক চেনে মিন্ট করে NFT রূপান্তর করা যায়। বর্তমানে বিভিন্ন ক্রিয়েটর তাদের ক্রিয়েশনকে এনইএফটি তে পরিণত করে মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করে টাকা আয় করছে। 

NFT ক্রয় এবং বিক্রয় করার প্ল্যাটফর্ম:

  • OpenSea: OpenSea হল বিশ্বের বৃহত্তম NFT বাজার। এটিতে বিভিন্ন ধরণের NFT পাওয়া যায়, যার মধ্যে ডিজিটাল আর্ট, সংগীত, ভিডিও, এবং আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
  • Rarible: Rarible হল OpenSea-এর মতো আরেকটি জনপ্রিয় NFT বাজার। এটিতে OpenSea-এর মতো একই ধরণের NFT পাওয়া যায়।
  • SuperRare: SuperRare হল একটি NFT বাজার যা বিশেষভাবে ডিজিটাল আর্টের জন্য উত্সর্গীকৃত। এটিতে অনেক বিখ্যাত ডিজিটাল শিল্পীর কাজ পাওয়া যায়।
  • Nifty Gateway: Nifty Gateway হল একটি NFT বাজার যা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড এবং শিল্পীদের সাথে কাজ করে। এটিতে অনেক অনন্য এবং সীমিত সংস্করণের NFT পাওয়া যায়।
  • Binance NFT Marketplace: Binance হল একটি জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ যা সম্প্রতি একটি NFT বাজার চালু করেছে। এটিতে বিভিন্ন ধরণের NFT পাওয়া যায়, যার মধ্যে ডিজিটাল আর্ট, সংগীত, ভিডিও, এবং আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পরিশেষে কিছু কথা 

আপাতত এটুকুই থাক। আর্টিকেলটি এমনিতেই খুব বেশি বড় হয়ে গিয়েছে। আপনি যদি এতোক্ষন অব্দি পড়ে আসেন তবে অবশ্যই আপনার ধৈয্যের প্রসংশা করবো। ঠিক এমন ধৈয্য নিয়েই যদি অনলাইনে কাজ কর‍তে পারেন তবে আপনার সফলতা আটকানোর ক্ষমতা কারোই নেই। 

আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পাবলিস্ট করা এখন অব্দি সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বেশি তথ্য বহুল আর্টিকেল এটি। এখানে আপনার সাথে শেয়ার করা হয়েছে অনলাইন সংক্রান্ত সকল আয়ের উপায়। এখানে উল্লেখিত প্রতিটি উপায়ের উপর একটি করে বিস্তারিত আর্টিকেল রয়েছে। এখানে কেবল মাত্র ২৫ টি উপায় সম্পর্কে ব্যাসিক ধারণাটাই দেয়া সম্ভব হয়েছে। আপনি যদি এখান থেকে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় হিসেবে কোনোটিতে চিহ্নিত করতে সক্ষম হোন, তবে অভিনন্দন। এবার সে উপায়টিকে কেন্দ্র করে চালিউএ যান আপনার পরবর্তী রিসার্চ এবং নেমে পড়ুন শেখার কাজে।